নিহত সাদ্দাত মিয়া পৌর শহরের লক্ষ্মীপুর এলাকার মো. আরমান মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে বাসা থেকে গোসল করতে বের হন সাদ্দাত মিয়া। পথে আনার মিয়া নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা হলে সাদ্দাত তাঁর মামার চুরি হওয়া স্টিলের নৌকাটির বিষয়ে জানতে চান এবং তা খুঁজে দিতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে আনার মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে সাদ্দাতের বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সাদ্দাত মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার বিষয়ে নিহতের মা শিউলি বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে রাতে আমাকে ফোন করে জানতে চেয়েছিল মামার নৌকা আনার চুরি করেছে কিনা। এর কিছুক্ষণ পরেই খবর পাই আনার তাকে ছুরিকাঘাত করে মেরে ফেলেছে। আমি আমার সন্তান হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও ফাঁসি চাই।’
অভিযুক্তের বিষয়ে নিহতের খালা শারমিন বেগম অভিযোগ করে জানান, অভিযুক্ত আনার মিয়া এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং তাঁর বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, নৌকা চুরির ঘটনা নিয়ে তর্কের জেরে আনার মিয়ার ছুরিকাঘাতে সাদ্দাত নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।
বার্তা নিউজ/এমএনকে









.webp)



