তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী এবং অভিনেত্রী চম্পা বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার গ্রহণের পর রাহিতুল ইসলাম তার সদ্য প্রকাশিত 'বাদলের কারাবাস' উপন্যাসের প্রসঙ্গ টেনে নাম বিভ্রাটের কারণে বিনা অপরাধে ১৮ বছর ধরে কারাবন্দী বাদল ফরাজীর নিঃশর্ত মুক্তির জোরালো দাবি জানান। তিনি বলেন, "যে লেখা মানুষের কল্যাণে আসে, সে লেখাই প্রকৃত সাহিত্য।"
এবারের আসরে রাহিতুল ইসলাম ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য আরও ১১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা জানানো হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষাবিদ ড. জি.কে.এম. মোস্তাফিজুর রহমান (কৃষি), অভিনেত্রী ববিতা (শিল্প ও সংস্কৃতি) এবং আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন ড্রিক-এর প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক শাইখ সিরাজসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যভিত্তিক ‘হুজ হু’ ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশে প্রতি দুই বছর অন্তর সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা গুণীজনদের এই সম্মাননা দিয়ে আসছে।













