নিহত রফিকুল ইসলাম পেশায় একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন। তিনি উপজেলার নন্নী ইউনিয়নের বনকুড়া নদীরপাড় এলাকার মৃত সোহরাব আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক জমি নিয়ে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বড় ভাই বাচ্চু মিয়া ও ভাতিজা আহসানের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি রফিকুলের ভোগদখলে থাকা একটি জমিতে জোরপূর্বক কলাগাছের চারা রোপণ করেন ভাতিজা আহসান। গত ১ সেপ্টেম্বর রফিকুল ওই চারাগুলো কেটে ফেললে আহসান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি লাঠি দিয়ে চাচার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে রফিকুল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাঁকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে রফিকুলের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়েছে। রাতে জানাজা শেষে বাড়ির পাশের কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা জেনেছি এবং নিহতের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বার্তা নিউজ/এমএনকে













