রিজভী বলেন, ‘গণভোটের রায় মানতে হবে, এটা বিএনপি অস্বীকার করেনি। জুলাই সনদ বাস্তবায়নও অস্বীকার করছে না। তবে এর মধ্যে কিছু নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত রয়েছে। শুধু বিএনপির নয়, আরও অনেক দলের আছে। সেগুলোর নিষ্পত্তি করা দরকার। গণতান্ত্রিক পরিবেশে প্রতিটি সমস্যার সমাধান সংসদে, আলোচনার টেবিলে হবে, লং মার্চ করে নয়।’ সাত দফা দাবি না মানলে এক দফায় ফিরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাকে ভয় দেখাচ্ছেন? এত ত্যাগের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। রাজপথ কি আপনাদের মৌরসি পাট্টা করে দেয়া হয়েছে, যে আন্দোলনের মাঠ আপনাদের দখলে থাকবে আর আমরা ঘরে বসে থাকব?’
সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে গণতন্ত্রায়নের জন্য জুলাই সনদের বিষয়গুলো বাস্তবায়ন সম্ভব বলে জানান তিনি। রিজভী বলেন, সব দল একত্র হয়ে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে পারে। এ ছাড়া নিজের কারাবাসের অভিজ্ঞতা এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে রিজভী অভিযোগ করেন, এসব উদ্যোগকে উপেক্ষা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে এবং বিভিন্ন স্থানে আগুন দেয়া ও পুলিশের ওপর হামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বার্তা নিউজ/এসভিএন












.webp)

