লা লিগায়ও চিত্রটা প্রায় একই। কেবল বার্সেলোনা, যাদের স্কোয়াডের আনুমানিক মূল্য ১.২৬৫ বিলিয়ন ইউরো, এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, যাদের মূল্য প্রায় ৬৭৯.৭ মিলিয়ন ইউরো-এই দুই দলের পুরো স্কোয়াডের বাজারমূল্য রিয়ালের ওই বেঞ্চের চেয়ে বেশি।
রিয়ালের বেঞ্চে থাকা তুর্কি তরুণ তারকা আরদা গুলারের একার বাজারমূল্যই ৯০ মিলিয়ন ইউরো। যা রায়ো ভায়োকানোর পুরো স্কোয়াডের আনুমানিক ৮৬.৮৫ মিলিয়ন ইউরোর চেয়েও বেশি। শুধু তাই নয়, লা লিগার আরও কয়েকটি দলের পুরো স্কোয়াডের মূল্যও গুলারের একার বাজারমূল্যের নিচে।
বেঞ্চে গুলারের সঙ্গে ছিলেন আন্দ্রি লুনিন, কার্লোস এস্পি, থিয়াগো পিটার্চ ও রাউল আসেসিওসহ আরও কয়েকজন। রায়োর বিপক্ষে ইয়ান দিওমান্দেকে প্রথমবার শুরুর একাদশে সুযোগ দিতে গিয়ে কোচ হোসে মরিনহো গুলারকে বেঞ্চে রাখেন, যদিও আগের ম্যাচে তুর্কি মিডফিল্ডার দারুণ পারফর্ম করেছিলেন।
দল নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মরিনহো বলেন, সব খেলোয়াড় সুস্থ থাকলে সেরা একাদশ বেছে নেওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। দিওমান্দেকে সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন ছিল, তবে বেঞ্চে থাকা প্রতিটি খেলোয়াড়ের মান নিয়েও তিনি সন্তুষ্ট।
চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ১৯ জন খেলোয়াড় ব্যবহার করেছেন রিয়াল কোচ, যাদের মধ্যে ১৭ জনই অন্তত একবার শুরুর একাদশে জায়গা পেয়েছেন।
ইনজুরির কারণে মিলিতাও, মেন্ডি ও রদ্রিগো এখনও বাইরে আছেন। অন্যদিকে এন্ড্রিক ও আসেসিওও চোটের কারণে মাঠে ফেরার অপেক্ষায়।
রিয়ালের বেঞ্চের এই বিপুল বাজারমূল্যই বলে দিচ্ছে, দলটির স্কোয়াডের গভীরতা কতটা শক্তিশালী। অনেক ক্লাব যেখানে পুরো স্কোয়াড মিলিয়েও এই মূল্য ছুঁতে পারে না, সেখানে রিয়ালের বিকল্প খেলোয়াড়দের দিয়েই তৈরি হয়েছে প্রায় অর্ধ বিলিয়ন ইউরোর এক বেঞ্চ।
বার্তা নিউজ/ আরএফই














