আইনটিতে রাশিয়ার নেতৃত্ব ও জ্বালানি খাতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে চলতে সহায়তাকারী কথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাশিয়ার তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ট্রাম্পকে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় রাশিয়ার জ্বালানির বড় ক্রেতা চীন ও ভারতও পড়তে পারে। তবে কোন দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে, শুল্কের হার কত হবে এবং নিষেধাজ্ঞার কোনো বিধান থেকে ছাড় দেওয়া হবে কি না-এসব বিষয়ে ট্রাম্পকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
আইনটি প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে কার্যকর হওয়ার কথা। এতে গত ১২ মাসে মোট পরিমাণের হিসাবে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ ক্রেতা দেশের পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কোনো দেশের রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি রাশিয়ার মোট গ্যাস রপ্তানির ১৫ শতাংশের কম হলে এবং দেশটি আমদানি কমাতে ‘উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ’ নিলে গ্যাস-সংক্রান্ত শুল্ক থেকে ছাড় পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বার্তা নিউজ/ আরএফই














