ফ্রান্স ফুটবল আয়োজিত ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ (বিওএটি) ভোটে লিওনেল মেসির ২০১২ সালের অসাধারণ পারফরম্যান্সকে পেছনে ফেলেছে রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুম।
ওই বছর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছিলেন রোনালদো। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি’অরও জিতেছিলেন পর্তুগিজ এই তারকা।
তবে সেরা মৌসুম নির্বাচনের ভোটিং পদ্ধতি নিয়েই দেখা দিয়েছে বিতর্ক। ভোটে অংশ নিতে প্রতিবার এক ইউরো করে খরচ করতে হয়েছে সমর্থকদের। পাশাপাশি একজন ভোটার একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় ফলাফলের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট ৫ হাজার ৯ জন ভোটার একাধিকবার ভোট দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৬৬৫ জন দুই থেকে চারবার, ৩০০ জন পাঁচ থেকে নয়বার এবং ৪৪ জন ১০ থেকে ২৬ বার পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন।
এমন ভোটিং ব্যবস্থার কারণে মেসির সমর্থকদের একাংশ ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, অর্থের বিনিময়ে একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলে সেটিকে দুই কিংবদন্তির পারফরম্যান্সের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হিসেবে বিবেচনা করা কঠিন।
অন্যদিকে, ২০১২ সালে অবিশ্বাস্য গোল করার দক্ষতা দেখিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ওই পঞ্জিকাবর্ষে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৯১ গোল করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। ফুটবল ইতিহাসে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের অন্যতম সেরা বছর হিসেবে বিবেচিত হয় মেসির সেই সময়টি।
রোনালদোর ২০০৮ সালের দলীয় সাফল্য ও ব্যক্তিগত অর্জনের বিপরীতে মেসির ২০১২ সালের রেকর্ডগড়া পারফরম্যান্স-দুই মৌসুমই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। তবে বিতর্কিত ভোটিং পদ্ধতির কারণে এই সমর্থকভিত্তিক নির্বাচনের ফলাফল দিয়ে দুই তারকার মধ্যে চূড়ান্ত শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণ কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বার্তা নিউজ/ আরএফই














