বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বারইয়ারহাট পৌরসভার অলংকার হোটেলের সামনে অভিযান চালিয়ে ৪টি ট্রাকসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিলতলী পাহাড়ি ছড়ার তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ট্রাকচালক নুর ইসলাম, আল আমিন, মো. রিফাত, আব্দুল হান্নান এবং হেলপার জুবায়েদ হোসেন জুয়েল, শাহাদাত হোসেন ও আব্দুল মোমিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
এদিকে, গত ৩১ অক্টোবরের সার চোরাচালান মামলার তদন্তে নোয়াখালীর মো. নুর উদ্দিন, মো. আল আমিন ও মো. জাকিরকে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকার আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া ডাকাতির প্রস্তুতি মামলায় কামাল উদ্দিন এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামি ইকবাল হোসেন, মো. রিয়াজ ও রাশেদা আক্তারকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ জন মাদকসেবীকে আটক করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীরুল কাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ১ থেকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। দণ্ডিতরা হলেন—আদিদ হোসেন জয়, ইমতিয়াজ উদ্দিন রানা, ছারোয়ান, একরামুল, মো. আরমান, আহাদ হোসেন, রেজভী আহম্মদ, আব্দুল্লাহ সাইমুন ও মো. ইয়াছিন আরাফাত।
জোরারগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ বালু উত্তোলন, চোরাচালান ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান কঠোর। অপরাধী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।" গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বার্তা নিউজ/এমকেএ











.webp)


