বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসাদ সিংগাইর উপজেলার গোলাই গ্রামের হাফেজ মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে। অন্যদিকে নিহত কিশোর সাকিবুল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মিতরা গ্রামের রহমত আলীর ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ৩০ জুন বিকেল ৩টার দিকে বাবার অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সাকিবুল। অনেক খোঁজাখুঁজির পরদিন ১ জুলাই সিংগাইর উপজেলার জামসা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া গ্রামের একটি পাটখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তের একপর্যায়ে আসাদুজ্জামান আসাদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসাদ হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর বিবরণ দিয়েছেন। তিনি জানান, ৩০ জুন সন্ধ্যায় সাভার থেকে মিতরা এলাকায় নেমে তিনি সাকিবুলের অটোরিকশাটি ভাড়া করেন। কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশায় ঝাঁকুনি লাগাকে কেন্দ্র করে চালক সাকিবুলের সঙ্গে তাঁর তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আসাদ বাড়ির কাছাকাছি একটি পাটখেতে নিয়ে সাকিবুলকে বেধড়ক মারধর করেন। অতিরিক্ত মারধরের ফলে ঘটনাস্থলেই সাকিবুলের মৃত্যু হলে মরদেহ সেখানে ফেলে রেখে তিনি পালিয়ে যান।
পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।
বার্তা নিউজ/পিআরএএন














