এর আগে গত ১৮ আগস্ট উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। এই মামলার অপর আসামিরা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
এই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি তাদের যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে পরিকল্পিতভাবে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়, যার প্রমাণ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে বিভিন্ন অডিও ও ভিডিও দাখিল করা হয়েছে। তাদের দাবি, মূলত ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া ‘দেখামাত্র গুলি’ করার নির্দেশের কারণেই ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে নির্বিচারে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।
বার্তা নিউজ/এফএইচআর











