প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটিই জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ইরনা। মোজতবা খামেনি বলেন, ‘আধিপত্যবাদী এই ব্যবস্থার আচরণে কোনো পরিবর্তন আসবে, সেখানে দলীয় কিংবা রাজনৈতিক ধারার রূপান্তর ঘটবে- এমন ক্ষীণ আশাকে যারা এখনও আঁকড়ে ধরে আছেন, অথবা যারা বিশ্বাস করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নতিস্বীকার বা ছাড় দিলে তা ইরানি জাতির বিরুদ্ধে তাদের শত্রুতা থেকে ফিরিয়ে রাখবে, তারা চরম ভুলের মধ্যে রয়েছেন।’
চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় মোজতবা খামেনির বাবা ও তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে তিনি এই পদে দায়িত্ব নেন।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যৌথ যুদ্ধ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণায় অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। মধ্যপ্রাচ্যের এই আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাবে চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে গ্যাস ও ডিজেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টি নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে আবির্ভূত হয়।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন













