ব্রাজিলে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ট্রাম্পের মনোনীত প্রার্থী ড্যানি পেরেজকে অনুমোদন দিতে ব্রাসিলিয়া বিলম্ব করার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ওয়াশিংটন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ড্যানি পেরেজ ফ্লোরিডার একজন প্রতিনিধি এবং ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর রাজনৈতিক মিত্র। ট্রাম্প ব্রাজিল সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা না করেই প্রকাশ্যে পেরেজের নাম ঘোষণা করায় একে প্রোটোকল লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ। তারা তাঁর মনোনয়ন খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং জানিয়েছে যে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া তিনি ব্রাসিলিয়ায় দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না।
দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন বেশ কিছুদিন ধরেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী অক্টোবরে ব্রাজিলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে নির্বাচন ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি প্রতিনিধিদলকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ব্রাজিল। ট্রাম্প প্রশাসন এবং ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো পরিবারের মধ্যকার ঘনিষ্ঠতা এই বিরোধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমানে দেশটির রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার বার্তা দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন, যেখানে জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়াই করছেন। অন্যদিকে ব্রাজিলীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র এই নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারে।
সূত্র: আলজাজিরা
বার্তা নিউজ/পিআরএএন













