এই ম্যাচেই পেনাল্টি মিস করে বসেন সদ্য বিশ্বসেরা ফুটবলারের খেতাব জেতা এই ইংলিশ অধিনায়ক। অথচ ম্যাচ শুরুর আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিজের ব্যালন ডি’অর ট্রফি প্রদর্শন করেন ৩৩ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার, পায়ে ছিল বিশেষ সোনালি বুট। গত মৌসুমে ৭৩ গোল করা কেইন ২৫ বছর পর প্রথম কোনো ইংলিশ এবং ৪৫ বছর পর বায়ার্নের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জেতেন।
উৎসবের আমেজে শুরু হওয়া ম্যাচে প্রথম লিড নেয় বায়ার্নই। ৩৮ মিনিটে ডর্টমুন্ড গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল প্রথম শট ঠেকালেও ফিরতি শটে গোল করেন কনরাড লাইমার। এরপর ৫৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ আসে কেইনের সামনে। ডি-বক্সের ভেতর ফেলিক্স এনমেচার হ্যান্ডবল থেকে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন। কিন্তু বুন্দেসলিগায় নিজের ২৭তম পেনাল্টি কিক নিতে গিয়ে বল ক্রসবারে মারেন সচরাচর নির্ভরযোগ্য এই তারকা। এর মাত্র চার মিনিট পর ৬০ মিনিটে গোল করে ডর্টমুন্ডকে সমতায় ফেরান সেরহাউ গিরাসি।
অবশ্য ৬৬ মিনিটে জশুয়া কিমিখের ক্রসে হেড করে দায়োত উপামেকানোকে দিয়ে বায়ার্নের দ্বিতীয় গোলটি করান কেইন। নিজে গোল করার চেষ্টা অব্যাহত রাখলেও তার একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং আরেকটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া হয়নি বায়ার্নের। ৮৯ মিনিটে ডর্টমুন্ডের হয়ে ফ্যাবিও সিলভা গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। এই ড্রয়ের পর বুন্দেসলিগার পয়েন্ট টেবিলে দুই দলেরই সংগ্রহ ১৮ পয়েন্ট, তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।
সূত্র: গালফ নিউজ
বার্তা নিউজ/এসভিএন














