তবে এই খবরের সত্যতা নাকচ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিলান জনসন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান, রুবিওর সঙ্গে ফিফাপ্রধানের কথা বলার কোনো পরিকল্পনা নেই। নিউইয়র্ক পোস্টের সমালোচনা করে জনসন আরও বলেন, খবরটি প্রকাশের আগে পত্রিকাটির উচিত ছিল সূত্রের সত্যতা যাচাই করা অথবা সরাসরি তাদের কাছ থেকেই তথ্যটি জেনে নেওয়া।
ইনফান্তিনোর বর্তমান এই সংকটের মূলে রয়েছে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনা। এই শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ভাই জোশুয়া কুশনারের প্রতিষ্ঠানের যুক্ত থাকার কথা ছিল। কিন্তু ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফাসহ এএফসি এবং কনক্যাকাফ ইনফান্তিনোর এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে।
চারপাশের প্রবল সমালোচনার মুখে গত শুক্রবার ইনফান্তিনো তাঁর শেয়ার বিক্রির প্রস্তাবটি বাতিল করতে বাধ্য হন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। উয়েফা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে, তারা আর ফিফায় ইনফান্তিনোকে দেখতে চায় না। অন্যদিকে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ফুটবল ফেডারেশনও তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ওয়েলস প্রকাশ্যেই ঘোষণা দিয়েছে যে, ফিফার পরবর্তী নির্বাচনে তারা ইনফান্তিনোকে ভোট দেবে না।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার প্রস্তাবটি বাতিল হওয়ার পর থেকে ইনফান্তিনো একাধিকবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। চারপাশের এমন নেতিবাচক প্রচারণায় ফিফা সভাপতি নিজেকে বেশ একাকী অনুভব করছেন।
এই পুরো বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রয়টার্সের অনুরোধে হোয়াইট হাউস থেকেও তৎক্ষণাৎ কোনো সাড়া মেলেনি। তবে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির এই ব্যর্থ উদ্যোগের ফলে ৫৬ বছর বয়সী এই সুইস-ইতালীয় নাগরিকের ভবিষ্যৎ এখন প্রশ্নের মুখে। ২০২৭ থেকে ২০৩১ মেয়াদের জন্য আবারও ফিফা সভাপতি হওয়ার যে পরিকল্পনা তাঁর রয়েছে, তা এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
বার্তা নিউজ/এফএইচআর













