পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলাকে মাদকমুক্ত করার বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবি পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নারী কনস্টেবল রুমা আক্তারের সহায়তায় কহিনুর বেগমকে এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্যের সহায়তায় মো. সেলিম প্যাদাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে এ সময় কৌশলে পালিয়ে যায় তাদের মেয়ের জামাই ও মামলার পলাতক আসামি মো. সবুজ মৃধা (৩২)।
পরে কহিনুরের শরীর তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রান্নাঘরে প্লাস্টিকের ব্যাগে কস্টেপ ও পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় আরও ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মোট ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া মাদক পাচার ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পলাতক আসামি সবুজ মৃধা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি মূল্যে ইয়াবা এনে তার শ্বশুর-শাশুড়ির ঘরে জমা রাখতেন এবং অটোরিকশায় করে বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করতেন।
বরগুনার জেলা পুলিশ সুপার মোঃ কুদরত-ই-খুদা জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বামী-স্ত্রী ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আমতলী থানায় নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
বার্তা নিউজ/এসভিএন














