আজ সকালে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ অন্যান্য বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে তিনি এ বক্তব্য দেন।
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি পড়ছে। জলবায়ু বিপর্যয় এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট প্রমাণ করেছে যে বর্তমান আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে কোনো সমস্যাই নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাই এসব সংকট মোকাবিলায় ব্রিকস জোটের অভ্যন্তরীণ স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
এ সময় তিনি জানান, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যে 'ব্রিকস ইন্টিগ্রেটেড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম'-এর বিষয়ে সদস্য দেশগুলো একমত হয়েছে এবং এর নির্দেশিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে। ভারতের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
এর আগে ঘোষিত 'নয়াদিল্লি ঘোষণা'-য় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি ফিলিস্তিন সংকটে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান সমর্থন, গাজায় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং একতরফা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সংরক্ষণবাদী বাণিজ্য নীতির অবসানের আহ্বান জানিয়েছে জোটটি।
সূত্র: এনডিটিভি












