১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর মধ্যরাতে প্রলয়ংকারি ঘূর্ণিঝড় গোর্কির ছোবলে লন্ডভন্ড হয়ে যায় নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকা। এতে প্রাণ যায় অর্ধলক্ষ মানুষ ও লক্ষাধিক গবাদি পশুর।
এমন দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের পাশাপাশি ১০-২০ ফুট উচ্চতায় নির্মাণ করা হয় ৩৩টি মাটির কিল্লা। সরকারিভাবে নির্মিত এসব কিল্লা উদ্বোধন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই থেকে নাম হয় মুজিব কিল্লা।
তত্ত্বাবধান, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্বাধীরতা পরবর্তী সময়ে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কাছে হস্তান্তর করা হয় কিল্লাগুলো। কিন্তু প্রশাসনের যোগসাজসে হাতছাড়া হয়ে যায় এসব কিল্লা। তবে কিল্লা দখল করার কথা অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।
আর কিল্লা বেদখলের বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৈতী সর্ববিদ্যা। আর, মুজিব শতবর্ষে বেদখল হওয়া এসব মুজিব কিল্লা দখলমুক্ত করে আধুনিকায়ন সময়ের দাবি বলে জানান নোয়াখালী জেলা ইউনিট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও সেক্রেটারি ম্যানেজিং বোর্ড সদস্য
শিহাব উদ্দিন শাহিন।
মুজিব কিল্লার কারণে ১৯৮৫ ও ৯১ সালে ভয়াবহ বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে রক্ষা পেয়েছিল বহু মানুষ ও প্রাণিসম্পদ।













