গত ১৪ জুন ইংলিশ চ্যানেলে এমটি স্মিরটোস নামের ট্যাংকারটির নিয়ন্ত্রণ নেন ব্রিটিশ রয়্যাল মেরিনসের সদস্যরা। রাশিয়ার তেল নিয়ে জাহাজটি সুয়েজ খাল হয়ে ভারতে যাচ্ছিল। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ট্যাংকারটি রাশিয়ার কথিত ‘ছায়া বহরের’ অংশ বলে অভিযোগ রয়েছে। এই বহরের মাধ্যমে মস্কো নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে জ্বালানি রপ্তানি করে বলে পশ্চিমা দেশগুলোর দাবি।
অভিযানের সময় জাহাজটি যুক্তরাজ্যের আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে ছিল। আটকের পর অজয়ের জামিন আবেদনও নাকচ হয়েছে। অন্য ইউরোপীয় দেশগুলো একই ধরনের ঘটনায় জাহাজ জব্দ করলেও সাধারণত নাবিকদের ছেড়ে দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নাবিক অধিকারকর্মী ও আইনজীবী ডেভিড হ্যামন্ডের মতে, এই মামলা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর এবং জাহাজের ক্যাপ্টেনের দায় নির্ধারণে নতুন নজির তৈরি করতে পারে। আন্তর্জাতিক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনও নাবিকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে শাস্তির মুখে ঠেলে দেওয়ার বিরোধিতা করেছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, কোনো জাহাজ রাষ্ট্রীয় নিবন্ধনহীন হিসেবে চিহ্নিত হলে দেশীয় আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তবে আন্তর্জাতিক জলসীমায় বিদেশি জাহাজের বিরুদ্ধে নিজস্ব নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের এখতিয়ার নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
অজয়ের স্ত্রী ঋতু পন্ত স্বামীর মুক্তির জন্য প্রচার চালাচ্ছেন। তার প্রশ্ন, ক্যাপ্টেনের কর্তৃত্ব, জ্ঞান বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সিদ্ধান্তের জন্য তাকে অপরাধী করা কতটা সংগত?
সূত্র: আল জাজিরা
বার্তা নিউজ/এসএফএল





.webp)






