পুলিশ জানায়, বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ডিবি কার্যালয় থেকে নুরুজ্জামান মিন্টুকে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে গুরুদাসপুর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে কড়া নিরাপত্তায় তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, শাকিল হত্যা মামলায় অধিকতর তদন্তের জন্য আদালতের অনুমতিতে মিন্টুকে দ্বিতীয় দফায় দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে আজ তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানান, ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলার তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত এই মামলায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর রাতে গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় হামলার শিকার হন গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম।চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৬ অক্টোবর রাতে হাসপাতালে মারা যান তিনি। শাকিলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই রাতেই নুরুজ্জামান মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। পরদিন তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক প্রথমে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দ্বিতীয় দফায় তাকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
বার্তা নিউজ/এমএনকে











