পুলিশ বলছে, ইউনিয়নের প্রায় প্রতি ঘরেই রয়েছে প্রতারক। তাদের বৈধ কোনও আয়ের উৎস না থাকলেও বসবাস করেন সুরম্য অট্টালিকায়। প্রতারণা থেকে বাঁচতে কাউকেই 'ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড' বা ওটিপি না দেয়ার পরামর্শ পুলিশের।
১৭টি গ্রাম নিয়ে নাটোরের বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন। আগের পেশা ছেড়ে পূর্ণকালীন ইমো হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণায় জড়িয়ে পড়ছে ইউনিয়নটির অনেক বাসিন্দা। বিলমাড়িয়া থেকে দুই ইমো প্রতারককে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকায় একটি ওয়াশিং প্ল্যান্টে কাজ করতেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পলাশ আলী ও এসএসসি পর্যন্ত পড়ালেখা করা সাব্বির হোসেন। চাকরির পাশাপাশি ইমো প্রতারণার মাধ্যমে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন তারা। এরপর চাকরি ছেড়ে বিলমাড়িয়ায় ফিরে প্রতারণাকেই অবলম্বন করেন।
কম গতির ইন্টারনেটেও পুরোপুরি সচল থাকায় গ্রামগঞ্জে ইমো অ্যাপের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগে প্রবাসীদের কাছেও ভীষণ জনপ্রিয় এই অ্যাপ। প্রধানত প্রবাসীদের টার্গেট করে সক্রিয় বিলমাড়িয়ার প্রতারকরা।
ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম) উপ-কমিশনার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম জানান, কৌশলে ওটিপি জেনে তারা প্রতারণা করে থাকে।
গোয়েন্দারা বলছেন, এলাকাটিতে ঘরে ঘরে ইমো প্রতারকদের বাস। পুলিশ বলছে, প্রতারণার কৌশল একজন থেকে আরেকজনে ছড়িয়ে পড়েছে। এভাবে বিলমাড়িয়া হয়ে উঠেছে ইমো প্রতারকদের সদরদপ্তর।












