জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তাঁকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা যায়। এ ছাড়া সাম্প্রতিক আরেকটি ভিডিওতে রাজনৈতিক মিছিলে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্বের ভূমিকায়ও দেখা যায় তাঁকে। অথচ সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে দেশে স্পষ্ট আইন ও বিধিমালা রয়েছে।
শুধু ভিডিও নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁর উপস্থিতির একাধিক ছবি ও পোস্ট পাওয়া গেছে।
নওগাঁ জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসিন রেজার মতে, সরকারি কর্মচারীর প্রকাশ্যে দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সরকারি চাকরির বিধিবিধানের পরিপন্থী। অভিযোগের সত্যতা মিললে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
ডা. ফজলুল হক নিজেই স্বীকার করেছেন, ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁর ভাষ্য, ‘ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই ভালো লাগা থেকেই এখনো রাজনীতি করি।’
তবে বিষয়টি নিয়ে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আঃ মঃ আখতারুজ্জামান বলেন , ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বার্তা নিউজ/এসভিএন













.webp)