অতিরিক্ত সময়ে শেষ বাঁশি বাজার পর লিওনেল মেসিকে মাটিতে তাকিয়ে গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকতে দেখা যায়। যদিও আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে উঠেছে, তবে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের পারফরম্যান্স আশানুরূপ ছিল না। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষের পোস্টে মাত্র দুটি শট রাখতে পেরেছিল। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে আরও দুই গোল পেয়ে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা। জাতীয় দলের হয়ে দুই শর বেশি ম্যাচ এবং ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি ভালো করেই জানেন যে, সেমিফাইনালে এমন ফুটবল খেললে ফাইনালে ওঠা কঠিন হবে।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, দীর্ঘ ২১ বছর পর আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এর আগে সর্বশেষ ২০০৫ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে ৩-২ গোলে জিতেছিল ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচের কয়েক মাস আগে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির অভিষেক হলেও প্রথম ম্যাচেই লাল কার্ড দেখায় পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি, যার ফলে ওই ম্যাচে তাঁর খেলা হয়নি।
বিশ্বকাপের মঞ্চে এর আগে কখনোই সেমিফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হয়নি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। এর আগে ১৯৬৬ এবং ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই পরাশক্তি। ১৯৬৬ সালের আসরে ইংল্যান্ড জয় পেলেও ১৯৮৬ সালে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ঐতিহাসিক কোয়ার্টার ফাইনালে ডিয়েগো ম্যারাডোনা ইংল্যান্ডের জালে দুটি স্মরণীয় গোল করেছিলেন, যার একটি ছিল বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং অন্যটি বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃত।
বার্তা নিউজ/এফএইচআর














