ঘটনার বিবরণ ও ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ১ টার দিকে গাজিয়াবাদের মহল্লা হোসেনপুরা এলাকার নিজ বাড়ির সামনে থেকে ওই তরুণীকে বেসামরিক পোশাকে আসা এক পুলিশ সদস্য মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যায়। মেয়েটি নিখোঁজ থাকায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান যে, এক পুলিশ সদস্য তাকে বাইকে করে নিয়ে গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীকে গাজিয়াবাদ থানার ভেতরে নিয়ে গিয়ে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখা হয় এবং তার ওপর যৌন নিপীড়ন চালানো হয়। পরবর্তীতে তাকে বাড়ি ফেরত পৌঁছে দেওয়া হয়।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনার খবর সামনে আসার পর লাহোরের ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরান প্রশাসনিক অবহেলা ও দুর্বল নজরদারির দায় দায়বদ্ধ করে গাজিয়াবাদ থানার এসএইচও-সহ ৭৮ জন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করেন।
অন্যদিকে, ডিআইজি (ইনভেস্টিগেশন) তদন্ত চলাকালীন সংশ্লিষ্ট ইনভেস্টিগেশন ইনচার্জকেও বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণ এবং 'পুলিশ অর্ডার ২০০২'-এর ১৫৫সি ধারায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনার বিশদ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ
বার্তা নিউজ/এমএনকে











.webp)
