ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এই সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি উপলক্ষে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির।
জানা গেছে, ঢাকায় শেরিং তোবগের ট্রানজিট সময় প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা। এ সময় বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
সংক্ষিপ্ত এই যাত্রাবিরতি শেষে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর।
শেরিং তোবগের এই সফর মূলত ট্রানজিট যাত্রার অংশ। ফলে ঢাকায় তার অবস্থান দীর্ঘ নয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে তাকে স্বাগত জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরবর্তী যাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার এই যাত্রাবিরতি শেষে শেরিং তোবগে চার্টার্ড ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন।
বার্তা নিউজ এসএফএল














