স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুর রহমান হাওলাদারের সাথে তার ভাতিজা জামাল হাওলাদারসহ অন্য ভাতিজাদের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। নিহতের স্ত্রী বহু বছর আগে মারা গেছেন এবং সন্তানরা বাইরে থাকায় তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।
পরিবারের দাবি, গত ৩১ জুলাই আদালতে মামলার হাজিরা দিতে গেলে প্রতিপক্ষ ভাতিজারা আব্দুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এর চারদিন পরই তালাবদ্ধ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছোট ছেলে রাসেল হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে আমার চাচাতো ভাইয়েরা হত্যা করে ঘরের ভেতরে ফেলে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছে। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ভাতিজা জামাল হাওলাদার। তার দাবি, তাদের সামাজিকভাবে হেয় করতে ও আইনি ঝামেলায় ফাঁসাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের হয়নি; পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন

-new.00_00_01_24.Still001.webp)









