এ বিষয়ে বিবিসিকে ওপেনএআইয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, এই ব্যক্তিরা কোম্পানির নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে স্পর্শকাতর তথ্যের অপব্যবহার করেছেন, যা আমাদের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে এবং কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আস্থাও ভেঙেছে।’
প্রতিষ্ঠানটি বরখাস্ত হওয়া কর্মীদের নাম প্রকাশ করেনি। তবে জানা গেছে, তাদের মধ্যে অন্তত দুজন প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা গবেষণার সাথে যুক্ত ছিলেন। বিবিসির তথ্যমতে, এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের জন্য তাদের বাদ দেয়া হয়নি, বরং স্পর্শকাতর তথ্য যথাযথভাবে না সামলানোর কারণেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
ওপেনএআইয়ের মুখপাত্র বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘কোম্পানির স্পর্শকাতর তথ্য দেখা ও ব্যবহারের নীতিমালা ভঙ্গের কারণে আমরা তিনজনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছি।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এআইয়ের নিরাপত্তা এবং মানবজাতির জন্য এর ঝুঁকি নিয়ে বিতর্ক বেশ জোরালো হয়েছে। এর মাঝেই এই ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটল। ওপেনএআইয়ের এআই মডেলগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ওয়েবসাইটসহ বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম হ্যাক করার পর প্রতিষ্ঠানটি তীব্র নজরদারির মুখে পড়ে। এর আগে ওপেনএআইয়ের একটি সিস্টেম ইন্টারনেটে প্রবেশ করে ওপেন সোর্স ডেভেলপার প্ল্যাটফর্ম ‘হাগিং ফেস’-এর নিরাপত্তাও ভেঙেছিল। এই ঘটনার পর ওপেনএআই তাদের এআই মডেল বা ‘এজেন্ট’-এর কার্যক্রম ব্যাপকভাবে পর্যালোচনা শুরু করে। এই এজেন্টগুলোকে মূলত সাধারণ নির্দেশনার ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে এই এআই ল্যাবটি জানায়, তারা তাদের এআই সিস্টেমের সাথে যুক্ত অননুমোদিত কার্যক্রমের ঘটনা সম্পর্কে ১০০টিরও বেশি সংস্থাকে সতর্ক করেছে। তবে ওপেনএআই জানিয়েছে, এই সতর্কবার্তা দেয়ার অর্থ এই নয় যে ‘কোনো ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বা কোনো সিস্টেমের ক্ষতি হয়েছে।’
গত সেপ্টেম্বরে অ্যানথ্রপিক ছেড়ে আসা গবেষক জেকব কক্সন এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো সঠিকভাবে মূল্যায়নের জন্য এর উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। অ্যানথ্রপিক প্রধান দারিও আমোদেই এবং ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেছেন।
সূত্র: বিবিসি
বার্তা নিউজ/ এসভিএন






.webp)







