নিহতের ভাই সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘বোন সানজিদা ও আমার স্ত্রী আছিয়া ভাড়া বাসায় ছিলেন। সকালে অজ্ঞাতনামা এক যুবক হঠাৎ আমাদের দরজার সামনে এসে আমার নাম ধরে ডাকাডাকি করে খুঁজতে থাকে। এ সময় বোন সানজিদা ঘরের দরজা খুলে ‘সাজ্জাদ ভাই নেই’ বলার সঙ্গে সঙ্গেই ওই যুবক ধারালো ছুরি বের করে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে বোনের চিৎকারে আমার স্ত্রী আছিয়া দৌড়ে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তাদের সহযোগিতায় হাসপাতালে নেয়ার পথে সানজিদার মৃত্যু হয়।’
তিনি আরও জানান, ‘আমার জানামতে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ নেই। তবে কে এসেছিল আমাকে খুঁজতে, তা আমি ধারণা করতে পারছি না। কেন আমার আদরের বোনকে ছুরিকাঘাত করে শেষ করে দিল, এটাও বুঝতে পারছি না।’
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমবাগ আতাউর মার্কেট এলাকায় বাসা ভাড়া থাকতেন সানজিদা আক্তার। সকালে এক যুবক ওই ভাড়া বাসায় গিয়ে তার বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় সানজিদা গুরুতর আহত হন এবং তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি।
গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর্থিক লেনদেন অথবা প্রেমঘটিত বিষয় থাকতে পারে। অন্য কোনো কারণও হতে পারে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধী শনাক্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বার্তা নিউজ/এসভিএন


.webp)







