রোববার (২ আগস্ট) সকালে গাজার একটি ফ্ল্যটে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত চুক্তির পর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল, ইসরায়েলি হামলা ও ড্রোন তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ হবে। একইসঙ্গে তারা চিকিৎসা, ত্রাণ সহায়তা এবং নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ পাওয়ার আশা করেছিলেন।
কিন্তু বাস্তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এসব প্রতিশ্রুতির কোনোটিই পূরণ হয়নি। উল্টো প্রতিনিয়ত লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে অবরুদ্ধ গাজায়। এদিকে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর অস্থায়ী তাঁবুতেও হামলা চালানো হচ্ছে। ফলে মানুষ এখন প্রতিনিয়ত চরম হতাশা আর ভীতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন











