তারা হলেন- প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার কেশবপুর প্রতিনিধি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কল্যাণ পত্রিকার আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক লোকসমাজের জয়দেব চক্রবর্তী, সাবেক সহসভাপতি ও সমকালের প্রতিনিধি মোতাহার হোসাইন, নির্বাহী সদস্য ও সময়ের খবরের মেহেদী হাসান জাহিদ, সদস্য ও প্রথম আলোর প্রতিনিধি দিলীপ মোদক এবং দৈনিক করতোয়ার শেখ শাহীনুর ইসলাম। আহতদের মধ্যে সাংবাদিক জয়দেব চক্রবর্তী, আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, মেহেদী হাসান জাহিদ ও আশরাফ-উজ-জামান খানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
১৯৭৮ সালের ২০ জানুয়ারি কেশবপুর প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছর অন্তর ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন হয়। সেই লক্ষ্যে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রেসক্লাবে দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর ছয় দিন আগেই রবিবার দুপুরে ওয়াজেদ আলী খান ডাবলুর নেতৃত্বে একদল বহিরাগত কেশবপুর প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে। এ সময় প্রেসক্লাবে থাকা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়।
হামলার পর অভিযুক্ত চক্রটি কেশবপুর প্রেসক্লাব দখল করে নিজেদের মতো ৫১ সদস্যবিশিষ্ট একটি স্বঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে। ওই কমিটিতে কেশবপুর প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক দিনকাল প্রতিনিধি মাহাবুর রহমানকে আহ্বায়ক, হারুন আর রশিদকে সদস্যসচিব এবং ওয়াজেদ আলী খান ডাবলুকে সদস্য করা হয়েছে।
আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে জানিয়ে সাংবাদিক মেহেদী হাসান জাহিদ বলেন, ‘হঠাৎ বহিরাগতরা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় সাতজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।’
কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান অভিযোগ করে বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বহিরাগতরা এসে মব তৈরি করে জোরপূর্বক প্রেসক্লাব দখল করে এবং মারধর করে। তারা কেউ প্রেসক্লাবের সদস্য নন।’
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ওখানে সাংবাদিকদের মধ্যে একটা বিরোধ চলছে। আমার ফোর্স গিয়েছিল। আমরা বলেছি আপনারা থানায় আসুন। আমরা দুই পক্ষের সঙ্গে বসে আলোচনা করব।’
হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কিছু জানি না। এমন ঘটনা ঘটলে কেউ অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নেব। কেউ এখনো থানায় অভিযোগ দিতে আসেনি।’
বার্তা নিউজ/এসভিএন











.webp)

