এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, এই হামলায় বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতে মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনীর অস্ত্র ও যন্ত্রাংশের বেশ কয়েকটি গুদাম ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন মোতায়েনের র্যাম্প লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যাতে বেশ কয়েকটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি এবং বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেল বা গ্যাসও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়া আরও বিলম্বিত হবে।
এর আগে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেশম দ্বীপ, কিশ দ্বীপ এবং আন্দিমেস্কে মার্কিন বিমান হামলার খবর পাওয়া যায়। গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং জুনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলো। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন উসকানি ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে হরমুজ প্রণালিতে অবৈধভাবে জাহাজ চলাচলের চেষ্টার জবাবেই তারা এই কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: প্রেস টিভি
বার্তা নিউজ/এসএফএল














