নিহত ওহেদ ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত দুধ মিয়া ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি সেচ প্রকল্পের (ইরি) ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করতেন। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ওহেদ ভূঁইয়া বাড়ি থেকে লক্ষ্মীপুর বাজারের উদ্দেশে বের হন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে লক্ষ্মীপুর পশ্চিমপাড়ার আবু সাঈদের পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রীর দাবি, সেচ প্রকল্প পরিচালনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার স্বামীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার পুলিশ সার্কেল এ কে এম কামরুজ্জামান জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি, তবে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের মাধ্যমেই হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
বার্তা নিউজ/আরএসএল












