এমনকি ঘটনা কাউকে না জানাতে ওই শিশুকে ধর্মীয় গ্রন্থ ছুঁয়ে শপথ করান সদরের বড়খারচর আদর্শ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়াকুব আলী। তার বিরুদ্ধে মামলা হলেও এখনও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
পাশবিক নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়ে কুলিয়াচরে আদর্শ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী। ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করেন বাবা-মাও। এমনকি ঘটনা কাউকে না জানাতে ওই শিশুকে শপথ করান সদরের বড়খারচর আদর্শ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়াকুব আলী।
একপর্যায়ে, শিক্ষক ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ করে ওই শিশু। ঘটনা জানাজানি হলে মাদ্রাসা ছেড়ে পালিয়ে যান শিক্ষক ইয়াকুব। শিশুর মা বলেন,'জানতে চাইছি কেন যাবে না মাদ্রাসায়, বলে আম্মা আমি যাবো না। আমি আবারও জানতে চাই তোমার কী সমস্যা বলো, কেন যাবে না? তখন বলে মাস্টর আমাকে নির্যাতন করছে।'
হাফেজ মাওলানা ইয়াকুব আলী স্থানীয় হেফাজতের একজন সক্রিয় নেতা। বর্বর এ ঘটনায় তার কঠোর শাস্তির দাবি জানান পৌর মেয়রসহ স্থানীয়রা। কিশোরগঞ্জ কুলিয়ারচর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন বলেন,'এটা সর্বস্তরের মানুষের মনে নাড়া দিয়েছে। এটার দৃষ্টান্ত মূলক শান্তি দাবি করছি।'
ঘটনা জানার পর মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা। কিশোরগঞ্জ কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম সুলতান মাহমুদ বলেন,'নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটা তদন্তাধীন আছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।'
মাদ্রাসার শিশুছাত্রদের ওপর এ ধরনের নির্যাতন বন্ধ ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসী।














