পালিয়ে যাওয়া ওই নেতার নাম মো. রেনু মিয়া। তিনি মাধবদী এলাকার ইল্লাত মিয়ার ছেলে এবং ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানায় রেনু মিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা রুজু হওয়ার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এদিন দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রেনু মিয়ার নিজ বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। অভিযানকালে তাকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরানো হয়। তবে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে বাড়ির আশপাশে স্থানীয় লোকজন জড়ো হতে থাকেন।
পুলিশ জানিয়েছে, লোকজনের উপস্থিতির কারণে সেখানে কোনো ধরনের হট্টগোল বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু একপর্যায়ে জনতার এই ভিড়ের সুযোগ নিয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থাতেই পালিয়ে যান ওই আওয়ামী লীগ নেতা।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন। তিনি জানান, পুলিশের হাত ফসকে পালিয়ে যাওয়া আসামি রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেপ্তারের জন্য তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বার্তা নিউজ/এমএনকে













