যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর সংঘাত পুনরায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধ থামানোর মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা জোরদার করেছেন মধ্যস্থতাকারীরা। গত মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোটের পর সামরিক অভিযান আবার শুরু করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে বৃহত্তর প্রতিক্রিয়ার পরিকল্পনা করছে তেহরান।
এর আগে রাশিয়ান সফরে গিয়ে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই বলেছিলেন, ‘কূটনীতির বিষয়ে আমরা আমেরিকানদের সামনে সাতটি শর্ত তুলে ধরেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আমাদের সাতটি শর্ত বাস্তবায়ন না করছে, ততক্ষণ না আমরা হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করব, আর না কোনো আলোচনায় বসব।’ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, জব্দ করা ইরানি সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ আদায়সহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে ইরান। অন্যদিকে ওয়াশিংটন বলছে, যেকোনো প্রাথমিক আলোচনার অংশ হিসেবে পারমাণবিক ইস্যুগুলোকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল এবং যেসব উপসাগরীয় দেশ মার্কিন ঘাঁটিগুলো আতিথ্য দিচ্ছে, সেখানে হামলা চালায় ইরান। এছাড়া লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে, যা পরবর্তীতে ইয়েমেন পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাসমূহ, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
বার্তা নিউজ/ এসভিএন





.webp)






