বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের একাংশ এআই উন্নয়নে সাময়িক নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানালেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তাৎক্ষণিক বিধিনিষেধ আরোপে অনাগ্রহী।
ট্রাম্পের দাবি, এআইয়ের সম্ভাব্য ক্ষতির চেয়ে এর সুফল অনেক বেশি হবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এআই উন্নয়নে পিছিয়ে পড়লে চীন সামরিক ও কৌশলগত সুবিধা পেয়ে যেতে পারে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও বলছেন, এআই নিয়ন্ত্রণে একতরফা পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বীদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে।
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট নেতারা দ্রুত সরকারি পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ দলটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এআই উন্নয়নে নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তাদের আশঙ্কা, লাগামহীন এআই একসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই, ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান, এক্সএআইয়ের ইলন মাস্ক ও গুগল ডিপমাইন্ডের ডেমিস হাসাবিস এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে এআই নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগও বাড়ছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে ৭০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এআই নিয়ে আশাবাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন। চাকরি হারানোর আশঙ্কা, বিদ্যুৎ ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি খাতে কোটিপতিদের প্রভাব-সব মিলিয়ে এআই এখন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠছে।
সূত্র: সিএনএন
বার্তা নিউজ/এসএফএল













