রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
পুলিশ সুপার জানান, বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। ঘটনায় জড়িত তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল।
তিনি বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গলে নিয়ে যায়। এর ভিত্তিতেই তাকে আটক করা হয়। পরে নিখোঁজ অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল ফাহাদ। পরে ফাহাদকে আটক করা হলে জিজ্ঞাসাবাদে ফাহাদ জানায়, কামরুলও জড়িত ছিল। এরপরই তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুহিনের বাসা থেকে আইফোন উদ্ধার করা হয়।
যেভাবে অপ্রতিমকে হত্যার বর্ণনায় তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেল ৫টা-৬টার দিকে ওই জঙ্গলে আইফোন ছিনিয়ে নিতে গেলে অপ্রতিম তাদের বাধা দেয়। এতে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপর প্রথমে তুহিন, পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে ফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তারা পালিয়ে যায়।
এছাড়াও এই ঘটনায় সিয়াম নামের আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। এতে অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
বার্তা নিউজ/এসডব্লিউএন






_original_1789818270.webp)






